Header Ads Widget

LM 10

 

বাঙালির আবেগ লিওনেল মেসি(LM10)



মেসি

স্প্যানিশ লিগেরও সর্বোচ্চ গোলদাতার রেকর্ড মেসির। এক মৌসুমে লা লিগায় সর্বোচ্চ গোলের রেকর্ড (৫০), এক মৌসুমে ইউরোপীয় ফুটবলে সর্বোচ্চ গোলের (৭৩) রেকর্ড, এক বর্ষপঞ্জিতে সর্বোচ্চ গোলের রেকর্ড (৫১), এল ক্লাসিকোতে সর্বোচ্চ গোলের রেকর্ড (২৫) লিওনেল মেসির। লা লিগায় সর্বোচ্চ গোল সহায়তা বা অ্যাসিস্টের রেকর্ডও মেসির নামের পাশে লেখা হয়েছে। মেসি একই সঙ্গে প্লেমেকার এবং গোলদাতার ভূমিকায় অনন্য। গোল করানো এবং আক্রমণ সাজানো এই দুই ভূমিকাতেই নেতৃত্ব দেন। জাতীয় দল ও ক্লাবের হয়ে মেসির গোল এরই মধ্যে ৬০০ পেরিয়ে গেছে।

শৈশবেই লিওনেল মেসির প্রতিভার কথা আলোচিত হচ্ছিল। কিশোর মেসির ফুটবল ইউরোপের অনেক ক্লাবকে আকৃষ্ট করলেও অনেকে পিছিয়ে যেত। কারণ মেসি শৈশবে গ্রোথ হরমোন সমস্যায় ভুগছিলেন। এর চিকিৎসা ছিল ব্যয়বহুল। কিন্তু ১৩ বছর বয়সে মেসিকে বার্সেলোনা তাদের যুব একাডেমিতে নিয়ে আসে। যুব একাডেমির তখনকার পরিচালক মেসিকে ট্রায়ালে দেখে এতটাই মুগ্ধ হয়েছিলেন, হাতের কাছে কোনো কাগজ না পেয়ে নিজের রুমালে চুক্তিপত্র লিখে ফেলেছিলেন বলে একটা কথা প্রচলিত আছে।

২০০৪ সালের অক্টোবরে ১৭ বছর বয়সে মেসি বার্সেলোনার মূল দলের হয়ে অভিষিক্ত হন। বিশ্বসেরা হয়ে উঠতে খুব বেশি সময় নেননি। ২০০৬ বিশ্বকাপের আগেই মোটামুটি তারকাখ্যাতি পেয়ে গিয়েছিলেন। যদিও মেসির আসল উত্থান ২০০৭ সাল থেকে। সেবার ব্যালন ডি'অর ও ফিফা বর্ষসেরা খেলোয়াড়ের তালিকায় মেসি ছিলেন সেরা তিনে। এরপর শুধুই সামনে এগিয়েছেন মেসি।



২০১৭ সালের জুনে মেসি বিয়ে করেন দীর্ঘ দিনের বান্ধবীকে। মেসির স্ত্রীর নাম আন্তোনেয়া রোকুজ্জো। রোকুজ্জোকে তিনি ৫ বছর বয়স থেকে চিনতেন। ২০ বছর বয়সে দুজনের প্রেমের সম্পর্ক প্রথম প্রকাশ্য হয়। এই দম্পতির তিনটি ছেলে। ২০১২ সালে জন্ম নেয় থিয়াগো। ২০১৫ সালে মাতেও। এবং ২০১৮ সালে জন্ম নেয় চিরো। 



মেসি ফুটবল বিশ্বে সবচেয়ে জনপ্রিয় খেলোয়াড়দেরও একজন। ইউনিসেফ, নিজের মেসি ফাউন্ডেশনসহ আরও কিছু দাতব্য সংস্থার সঙ্গে তিনি জড়িয়ে আছেন। শিশুদের ক্যানসারের বিরুদ্ধে লড়াইয়ের ঘোষণা দিয়েছেন। যদিও দীর্ঘ ক্যারিয়ারে বেশ কিছু বিতর্কের সঙ্গেও জড়িয়ে গেছে মেসির নাম। স্পেনে কর ফাঁকির অভিযোগে আদালতে দোষী সাব্যস্ত হন মেসি। এ ছাড়া আর্জেন্টিনার বিশ্বকাপ বাছাই পর্বের এক ম্যাচে রেফারিকে গালি দিয়ে তিন ম্যাচের জন্য নিষিদ্ধ হয়েছিলেন। পরে সেই নিষেধাজ্ঞার মেয়াদ কমানো হয়।

লিওনেল মেসি প্রায় একার জাদুতে ২০১৮ বিশ্বকাপের চূড়ান্ত পর্বে দলকে নিয়ে গেছেন।

২০২১ কোপা, ২০২৩ বিশ্বকাপ, ২০২৪ কোপা এসব মেজর ট্রফি তার অর্জনগুলোকেকে আরও চূড়ায় নিয়ে তুলেছে। সব মিলিয়ে ফুটবলের এই নায়ক আসলেই একজন জাদুকর।

Post a Comment

0 Comments